দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি ডলার প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে। শনিবার রয়টার্সকে তিনি জানান, এই অর্থের পরিমাণ দেশটির মোট অর্থনীতির প্রায় এক-দশমাংশের সমান।
স্বর্ণিম ওয়াগলে বলেন, ‘প্রাথমিক হিসাবে ৪ থেকে ৫০০ কোটি ডলার প্রয়োজন হতে পারে। এটি শুধু একটি প্রাথমিক হিসাব। ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের তুলনায় এবার প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ অনেক কম হবে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।’
বুধবার হিমালয়ে একটি হিমবাহ ধসে বিপুল পরিমাণ পাথর, বরফ, কাদা ও ধ্বংসাবশেষ নদী ব্যবস্থার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে নেপাল ও চীনের তিব্বতে ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এখনো দুই হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
প্রবল স্রোতে সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন শহর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেসে গেছে সেতু ও সড়ক। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বড় কয়েকটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রও।
তবে পুনর্গঠনে এবার ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের তুলনায় কম অর্থ কেন প্রয়োজন হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি অর্থমন্ত্রী। ২০১৫ সালে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষ নিহত হন। ধ্বংস হয় ৫ লাখের বেশি ঘরবাড়ি। ওই দুর্যোগে নেপালের অর্থনীতির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সমপরিমাণ ক্ষতি হয়েছিল। পুনর্গঠনে প্রায় ৯০০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছিল।
এবারের বন্যাও প্রবাসী আয়, পর্যটন ও জলবিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল নেপালের অর্থনীতিতে বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে। বন্যায় এমন কয়েকটি বিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেগুলো দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ১২ শতাংশের বেশি জোগান দেয়।
/অ